Wednesday , September 22 2021

আমার শেষ নিঃশ্বাসের আগেও এক টাকা হারাম খেতে চাই না: এসপি

সিলেট জে’লার পু’লিশ সুপার (এসপি) পদে স’ম্প্রতি যোগদান ক’রেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পু’লিশের ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপকমি’শনার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন।

সাহসী এই পু’লিশ ক’র্মকর্তা চাকরি জীবনের শুরু থেকেই গরীব ও অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করে আ’সছেন। নিজ ক’র্ম এলাকায় তিনি একজন পরোপকারী এবং সৎ-মেধাবী পু’লিশ ক’র্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত।ফরিদ উদ্দীন স’ম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেছেন, “বেঁ’চে থাকার জন্য টাকা দরকার আছে ,

এটা ঠিক তবে আমা’র এক টাকাও হা’রাম কিংবা অ’বৈ’ধ টাকার দরকার নেই। আমা’র শেষ নিশ্বা’সের আগেও যেন এক টাকা হা’রাম খেতে না হয় আল্লাহর কাছে এটাই আমা’র চাওয়া।’ বৃ’দ্ধ মায়ের কাছ থেকে সম্পত্তি লিখে নিয়ে রাতের আঁধারে তাকে রাস্তায় ফে’লে দেন দুই সন্তান।

এমন খবর পেয়ে ওই বৃ’দ্ধাকে উ’দ্ধার করেন নারায়ণগঞ্জ জে’লার আড়াইহাজার থা’নার ওসি নজরুল ইসলাম। এরপর আ’টক করেন ওই দুই ছেলেকে। পরে ওসির উদ্যো’গে দুই সন্তানের কাছ থেকে বৃ’দ্ধার নামে ২ শতাংশ জমি লিখিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে এমন ভালো কাজ করে প্রশংসায় ভাসছেন ওসি নজরুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বৃ’দ্ধা খোদেজা বেগমকে বুকে টেনে নিয়ে ওসি নজরুল বলেন, আপনি আমর মা। আপনি একা নন। আপনার এমন হাজারো ছেলে আপনার পাশে দাঁড়াবে।বৃ’দ্ধা খোদেজা জা’নান, ১৯৭১ সালে তার স্বামী বিল্লাত আলী দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে মা’রা যান। পরে পৈত্রিক সূত্রে সন্তানরা জমির মালিক হন।

এক পর্যায়ে বৃ’দ্ধা তার বাবার বাড়ির জমি ও নিজে’র স্বামীর কাছ থেকে প্রাপ্য ২০ শতাংশ জমি চার বছর আগে সন্তানদের নামে লিখে দিয়েছিলেন। এরপর ভাত-কাপড়তো দূ’রের কথা, সন্তানদের কাছে মাথা গোজার অবস্থাও ছিল না তার।

এমনকি ছেলের বৌরাও তাকে বিভিন্ন সময় মা’রধ’রও করতো। ১৫ দিন আগে ছেলেরা তাকে রাতের আধারে রাস্তায় ফে’লে যায়। তার থাকার ঘরেও তারা তালা ঝুলিয়ে দেয়। চৈতনকা’ন্দা এলাকায় একটি রাস্তায় সে প’ড়ে ছিল। খবর পেয়ে নিজ উদ্যো’গে ও’সি তাকে তুলে নেন। এ ঘ’টনায় দুই ছেলেকে পু’লিশ আ’টক করে। পরে তাদের কাছ থেকে বৃ’দ্ধার নামে ২ শতাংশ জমি লিখিয়ে নেন। এতে তার মাথা গোজার ঠাঁই হয়েছে।

ওই বৃ’দ্ধা বলেন,‘আল্লায় (ওসি) পোলাডার ভালো করুক। আমা’র কাছে তো ওরে দিমু তেমন কিছু নাই। তবে আল্লাহয় ওর ভালো করব। অনেক বড় অইব দোয়া দিলাম।’ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি একজন অ’সহায় মায়ের পাশে দাঁড়াতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমি বৃ’দ্ধার থাকার একটু ব্যব’স্থা করে দিতে পেরেছি।’