সে কষ্ট সন্তানের দেয়া কষ্টের মতই বুকে বড় বাজে – রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা

আজ ২৪ শে জুলাই শনিবার বাংলা সংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তী সংগীত শিল্পী ‘রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা ‘তাঁর ফেসবুকে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দেন । স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো :

ওহে এ প্রজন্মের আত্মমগ্ন ডিজিটাল তরুণ প্রজন্ম,আমরা শিল্পী যারা বেঁচে আছি তাঁদের জীবদ্দশাতেই খোঁজ খবর করো ( ইনবক্সে কেমন আছি কি খেয়েছি নয়), অর্থাৎ তাঁদের শিল্পীত কাজের দিকে চোখ রাখো,তাদের অবদান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান অর্জন করো, তাঁদের গান নাটক সার্চ দিয়ে শোনো, দেখো, নিজেকে সম্বৃদ্ধ করো।

আমরা মরে গেলে এতো স্ট্যাটাস, এতো স্টোরি সব আরোপিত বোঝাই যায়। আমাদের দেশের সম্পদ যারা তাঁদের অনুসরণ, তাঁদের অবদান জেনে রাখা শুধু তাঁদের সম্মান প্রদর্শন নয়, তোমাদের বেড়ে ওঠার জন্য খুবই প্রয়োজন। আর এ প্রজন্মের শিল্পীদের বলছি তোমরা একজন শিল্পী মরে যাওয়ার সাথে সাথেই ট্রিবিউট এ লাইভ গাওয়ার জন্য একবেলায় দশটি গান না শিখে বরং আমরা যারা মরতে বাকি আছি তাদের সবার গানই সঠিক কথা সঠিক সুর সঠিক তথ্যে শিখে নাও।তোমাদের স্বার্থেই কাজে লাগবে।

আরও বিস্তারিত ভাবে বললে বলতে চাই এক গানে দুইগানের কথা যোগ কোরোনা অথবা নেট সার্চ দিয়ে গানের ভুলভাল লিরিক লিখে গেও না। এতে আমাদের আত্মার কষ্ট হবে। সরকার কষ্ট দিলে ব্যাপার না,তোমরা আমাদের অনুজ, তোমরা আমাদের কষ্ট দিলে সে কষ্ট সন্তানের দেয়া কষ্টের মতই বুকে বড় বাজে, বাজবে, বেজেছে ! বারবার, কয়েকবার, অনেকবার। বড়দের দোয়া অনেকভাবেই নেয়া যায়।