স’ন্তা’ন নিতে চা’ই, ক’তবা’র মে’লা’মে’শা জ’রুরি: ডা. কা’জী ফ’য়েজা

বিয়ের পর সংসারে সন্তান-সন্তুতি আসবে, এটাই তো নিয়ম। সেটি পরিকল্পিতভাবে আসুক সেটিই সবাই চায়। কিন্তু অনেক দাম্পত্য বনে সব কিছু পরিকল্পিতভাবে হয়ে উঠে না।

কেউ কেউ সন্তান না চাইলেও নিজের অজান্তে গ’ধারণ হয়ে যায়। আবার অনেকে সন্তানচেয়েও বছরের পর বছর কাটিয়ে দেন কিন্তু সোনামুনির মুখ দেখেন না।সন্তান হওয়ার জন্য বয়স, খাদ্যাভাস, লাইফস্টাইল অনেক কিছুই নির্ভর করে। অনেকে বেশি বয়সে বিয়ে করেন। তাঁরা প্রত্যাশামাফিক সন্তানের বাবা-মা ‘হতে পারেন না। আমা’র কাছে কিছু রোগী আসেন, যাদের বিয়ে হয়েছে মাত্র এক মাস। তাদেরকে শ্বশুর শ্বাশুড়ী নিয়ে আসেন।

তাদের অ’ভিযোগ, পুত্রবধু সন্তানের মা ‘হতে পারছেন না।আমি তখন বলি, বিয়ে হয়েছে মাত্র একমাস। এখনই সন্তানের জন্য এত অস্থির হচ্ছেন কেন? তখন তারা আমাকে উত্তর দেয়, প্রেগ’ন্সির জন্য একমাসও লাগে না। একদিনই যথেষ্ট। আসলে এই ধারণা ভুল।আমর’া যেটা পরামর’্শ দিই সেটি হচ্ছে, আপনারা স্বামী- স্ত্রী পুরো একবছর একস’ঙ্গে থাকবেন। কিন্তু দেখা যায় স্বামী থাকে চট্টগ্রাম, স্ত্রী থাকে ঢাকায়। স’প্তাহে একদিন স্বামী আসেন।

এক্ষেত্রে সন্তান হবে কি করে? আমা’র পরামর’্শ হচ্ছে সন্তান নিতে চাইলে পুরো এক বছর স্বামী-স্ত্রীর একস’ঙ্গে থাকতে হবে। স’প্তাহে অন্তত তিন থেকে চারবার মেলামেশা করবেন।এরপরও যদি গ’র্ভে সন্তান না আসে তাহলে ডাক্তারের স’ঙ্গে যোগাযোগ করবেন। কিন্তু যদি এমনটি হয়, স্বামী বিয়ের এক মাসের মাথায় বিদেশ চলে গেছেন। একবছরের মাথায় যদি মেয়েটি এসে বলে আমি মা হচ্ছি না কেন, তাহলেও হবে কিভাবে? আমা’দের

দেশের প্রেক্ষাপটে এখন আমর’া মেয়েদের বেলায় ২০- এর পরে ও ছেলেদের বেলায় ২২- এর পরে বিয়ে করতে বলি। বিয়ের পর মেয়েদের বেলায় যদি প্রথম সন্তানটা ৩০ বা ৩২ বছরের মধ্যে হয় তাহলে সেটা নিরাপদ গ’ধারণ হয়। পুরুষরা কখন বাবা হবেন তা নিয়ে বয়সের কোন বাধ্যবাধকতা নাই। একজন পুরুষ বৃ’দ্ধ বয়সেও সন্তান জন্ম’দানে সক্ষমতা রাখে।তবে মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রথম সন্তানটা ৩০-এর মধ্যে নেওয়া ভাল। মনে রাখা উচিত, ৩৫ বছরের পরে মা হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।

এই ১৪টি অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলেই আপনি চিরতরুণ থাকবেন চিরতরুণ ‘হতে কে না চায়? আপনিও ‘হতে পারেন। তবে অভ্যাসগত কিছু পরিবর্তন আনতে হবে আপনাকে। সঠিকভাবে ১৪টি অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলেই আপনি চিরতরুণ। এবার জেনে নিন সেই ১৪টি অভ্যাস : ১. খুব ধীরে ধীরে সকালে ঘু’ম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এরপর বাথরুমে যান। পানি খাওয়ার নাম হচ্ছে হাইড্রোথেরাপির জলচিকিৎসা।

মূলত এটি হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছরের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা। আধুনিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে- ঘু’ম থেকে উঠে ধীরে ধীরে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে প্রায় ৩৬ ধরনের রোগ হয় না এবং হলেও সেরে যায়। ২. বাথরুম থেকে ফিরে এসে আরও এক গ্লাস পানি খান এবং তারপর খান দুধ ছাড়া খুব হালকা এককাপ চা। আপনার ওজন বেশি হলে চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। চা কখনোই অতিরিক্ত গরম খাবেন না।

৩. এ ছাড়া সারাদিনে ৮ থেকে ১২ গ্লাস বাড়তি বিশু’দ্ধ পানি খাবেন। ৪. দুধহীন এবং দুধ-চিনিহীন হালকা গরম চা হচ্ছে আড়াই হাজার বছর আগের একটি চায়নিজ হারবাল মেডিসিন। সেকালে এই চা দিয়ে হার্ট, ব্লাড প্রেসার (উচ্চ র ক্তচাপ) ও পেটের নানা রকম রোগের চিকিৎসা করা ‘হতো। আবার আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে- চায়ে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে নিশ্চিত অবদান রাখে। তবে যে চা প্রক্রিয়াজাত হয়নি, সে চায়ের গু’ণাগু’ণই অ’পেক্ষাকৃত ভালো।

৫. ভিটামিন-সি একটি বৈপ্লবিক খাদ্যপ্রাণ। এর গু’ণাগু’ণ অসংখ্য। জানা গেছে দিনে ১ হাজার মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে। তবে ট্যাব’লেট খেলে কিছুই উপকার পাওয়া যায় না। প্রতিদিনই কমবেশি খেতে হবে ভিটামিন-সি সমৃ’দ্ধ তাজা ফলমূল। ভিটামিন-সিও ক্যান্সার ঠেকাতে সাহায্য করে। আমলকী, সব ধরনের লেবু, টমেটো, কমলা, পেয়ারা, নানারকর টক স্বাদের ফলে বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন-সি রয়েছে।

৬. ধূমপানসহ সকল ধরনের নে… শা জাতীয় অভ্যাস ত্যাগ করুন। কারণ নে… শা মানুষকে সকল দিক দিয়ে ধ্বং’স করে দেয়। ৭. রে’ডমিট অর্থাৎ গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া ইত্যাদির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। ফার্মের মুরগিও চলবে না। শুধু চর্বিহীন বাচ্চা মুরগির মাংস খাওয়া চলতে পারে। ৮. প্রচুর পরিমাণে আধা-সে’দ্ধ শাক-সবজি, তরি-তরকারি এবং খুব অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি খাওয়া উচিত। ভাজাভুজি খাবেন না। অতিরিক্ত

তেল, চর্বি, ঘি, মাখন খাবেন না। মসলার বিভিন্ন ভেষজ গু’ণ আছে, তবুও রান্নায় খুব বেশি মসলা ব্যবহার করবেন না। ৯. সালাদ হিসাবে প্রতিদিন বেশি করে খাবেন কাঁচা লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, টমেটো ইত্যাদি। ১০. বিধি-নিষে’ধ না থাকলে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খাবেন। ১১. পূর্ণবয়স্কদের জন্য গরু, ছাগল, মহিষের দুধ অ’প্রয়োজনীয় তো বটেই, রীতিমতো ক্ষ’তিকর। তাই এগু’লো পরিহার করুন। ১২. ছোট-বড় সব ধরনের মাছ খাবেন।

সমুদ্রের মাছ খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে তো খুবই ভালো। কেননা, এটা মহৌষধ। গাদা-গাদা মাছের কা’টা খাওয়া ঠিক নয়। এতে পাকস্থলিতে পাথর ‘হতে পারে। ১৩. সূর্যমূখী ফুলের বীজ হচ্ছে হার্টের ভেষজ ওষুধ। রান্নায় সূর্যমূখী তেল ব্যবহার করলে হার্টের সুরক্ষা যেমন হয়, তেমনি হার্টের অসুখ থাকলে তা সারাতে সাহায্য করে। ১৪. প্রতিদিন অল্প একটু টক দই খাওয়ার অভ্যাস করুন। টক দই উচ্চ র’ক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে।b উপরোক্ত অভ্যাসগু’লো নিজে গড়ে তুলুন। বিভিন্ন রোগ থেকে যেমন মুক্তি পাবেন এবং তেমনি আপনি চিরতরুণও থাকতে পারবেন।