প্রে’মি’ককে নি’জে’র বু’কে’র দু’ধ খা’ওয়া’তে চা’ক’রি ছা’ড়লে’ন প্রে’মি’কা!

বডিবিল্ডার প্রেমিককে বুকের দুধ খাওয়াতে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জেনিফার মুলফোর্ড (৩৬)। তার দাবি প্রেমিককে বুকের দুধ খাওয়ালে তাদের সম্পর্ক আরো গভীর হবে। এ জন্য তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।

জেনিফার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া প্রদেশের আট’লান্টায় থাকেন। তার প্রেমিকের নাম ব্রাড লেসন, তার বয়সও ৩৬ বছর। জেনিফার একটি ডেটিং সাইট থেকে এই ধারণাটি পেয়েছিলেন। সেখানে বলা হয়, বুকের দুধ মানুষের সম্পর্ককে আরো মজবুত করে। এরপর থেকে তিনি এমন কাউকে খুঁজছিলেন, যে বুকের দুধ খেয়ে তার স’ঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করবে। হঠাৎ তার মনে পড়ে পুরনো প্রেমিক ব্রাডের কথা। তার স’ঙ্গে বি’ষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন জেনিফার।

পরে জেনিফারের প্রস্তাবে রাজি হন ব্রাড। জেনিফার মুলফোর্ড বলেন, ‘আমা’র এমন একজন স’ঙ্গী প্রয়োজন, যার স’ঙ্গে আমা’র একটি আধ্যাত্মিক বন্ধন তৈরি হবে। বুকের দুধ হলো এমন একটি জিনিস, যা একজনের স’ঙ্গে আরেকজনের বন্ধন তৈরিতে সাহায্য করে। প্রথমবার যখন আমি তাকে স্তন পান করাই, তখন তার মধ্যে বিচিত্র অনুভূ’তি কাজ করছিল। সে খুব কৌতুহলী ও উত্তেজিত হয়ে ওঠে। জেনিফারের ২০ বছর বয়সী একটি মেয়ে আছে।

তবে প্রেমিককে দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে তিনি নিজেকে আকর্ষণীয় ও কমবয়সীদের মতো রাখতে চান। দুই ঘণ্টা পর পর তিনি প্রেমিক ব্রাডকে দুধ পান করেন। জেনিফার কাজটিকে নিজের বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর মতই মনে করেন। সম্প্রতি জেনিফার এ কাজের জন্য চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, শুধু চাকরি ছাড়া নয়, এ কাজের জন্য তিনি সবই করতে পারবেন। মাঝে মাঝে তিনি পাম্পের মাধ্যমে স্তন থেকে দুধ বের করে রাখেন।

আবার রাতে হাতের সাহায্যে দোহন করে প্রেমিককে দুধ পান করান। তিনি মনে করেন, তার বুকের দুধ ব্রাডকে অকর্ষণীয় পুরুষ ‘হতে সাহায্য করবে। দুধের যোগান ঠিক রাখতে জেনিফার সম্প্রতি হারবাল পিল ও ফ্লাক্স সিড খাওয়া শুরু করেছেন। ব্রাডও মনে করেন, এই দুধ তার শরীরের অনেক উপকার করবে। কারণ, তিনি একজন বডিবিল্ডার। তারা অত্যন্ত গো’পনীয়ভাবে কাজটি করেন। সম্প্রতি দুইজনের সম্মতিতে ঘটনাটি জনসাধারণের সামনে নিয়ে আসেন তারা।

অনেকে আবার বি’ষয়টিকে মিথ্যা মনে করছেন। কেউ কেউ জেনিফারকে যৌ’ন সুড়সুড়ি ও এডাল্টদের দুধ খাওয়ানোর জন্য অ’ভিযুক্ত করেছেন। এক নারী মন্তব্য করেছেন, ‘এভাবে জনসাধারণের সামনে দুধ খাওয়ানো ল’জ্জার ও উপহাসের। তারা দুজন একটি বেয়াদবের মত কাজ করেছেন। দুধ খাওয়ানোকে তারা যৌ’নকর্মে পরিণত করতে চাচ্ছেন। বড়দের দুধ খাওয়ানোয় কোনো উপকার নেই। মায়ের দুধ শুধু শিশুদের জন্যই উপকারী।

আরেক নারী লিখেছেন, ‘এটা তাদের দুজনের ব্যাপার, কিন্তু বি’ষয়টি খুবই জঘন্য। শিশুকে দুধ খাওয়ানো মায়ের জন্য একটি পবিত্র কাজ কিন্তু এই ঘটনা দ্বারা এই পবিত্র কাজটিকে অ’পমান করা হয়েছে। এটা কোনো যৌ’ন সুড়সুড়ি নয়, এটা শিশুর জন্য পবিত্র খাদ্য। অনেকে দাবি করেন, ‘নারীর বুকের দুধ প্রা’প্ত বয়স্ক মানুষের শরীরে কোনো কাজ করে না। এটি কেবল শিশুদের জন্য। জেনিফার দুধ খাওয়ানোকে যৌ’ন সুড়সুড়িতে পরিণত করতেন চান।

আরেক নারী লিখেছেন, ‘আমি এটা বিশ্বা’স করি না। আমা’র কাছে এটাকে এপ্রিল ফুলস কমেডির মত মনে হয়। এ রকম আসলে কোথাও ঘটেনি। জেনিফার তার ফেসবুক পেজে ব্রাডকে দুধ খাওয়ানো অবস্থায় ছবি পোস্ট করেছেন। কিন্তু মানুষের মন্তব্য নেওয়ার জন্য বা তাদের ব্যক্তিগত বি’ষয় মানুষকে জানানোর জন্য তারা এসব করেছেন, তা বলা যাচ্ছে না।

কীভাবে এই দুধ তার প্রেমিককের শরীরে উপকার করবে : ১. এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি এবং ঘন পুষ্টির উপাদান আছে। ২. এই দুধ বাচ্চাদের তাড়াতাড়ি বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। তাই অনেকে মনে করে, এটি প্রা’প্ত বয়স্কদের শরীরের কোষ তৈরিতেও সাহায্য করবে। ৩. ক্যালোরি এবং ঘন পুষ্টির উপাদানগু’লো মানব দে’হে মাংশপেশি তৈরিতে সাহায্য করে। ৪. এই দুধে মানব দে’হের বৃ’দ্ধিকারী হরমনও আছে। ৫. এক কাপ দুধে ১৭০ ক্যালোরি, ১০ গ্রাম চর্বি, ১৬ গ্রাম কার্ব এবং ২ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। কিন্তু অনেকে এটা বিশ্বা’স করে না…

সল্ট লেকসিটির পুষ্টি বিজ্ঞানী মা’র্ক হালপার্ন বলেন, ‘বুকের দুধে অনেক পুষ্টিগু’ণ আছে এবং এটি স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। কিন্তু এটি কেবল উৎপাদনকারীর শরীরেই কাজ করে। বুকের দুধ সাধারণত নিয়ন্ত্রণ করা যায় না- যখন একজনের খাদ্য ভাল থাকে তখন তার দুধের মানও ভাল হয়। আবার যখন তার খাদ্যমান খারাপ হয়, তখন দুধের মানও খারাপ হয়। তবে মায়ের দুধ প্রা’প্ত বয়স্ক মানুষের শরীরে কাজ করে, এর কোনো প্রমাণ নেই। তার থেকে ভাল পুষ্টিগু’ণ সম্মত খাবার, প্রোটিন, ফল, সবজি এবং গরুর দুধ।

এর আগে ড্যানি নামে এক ব্যক্তির বুকের দুধ পানে আসক্তির কথা জানা গেছে। ইংল্যান্ডের এই শরীর চর্চা প্র’শিক্ষক প্রতিবারে ১০০ মিলিলিটার করে দুধ পান করেন। বিশ্বস্ত মহিলাদের কাছ থেকে সংগৃহীত দুধ স’প্তাহে কয়েকবার পান করেন ড্যানি। তার ধারণা এতে পেশিশক্তি বাড়ে।