৫টি কা’র’ণে প’রকী’য়া ক’রে বি’বা’হি’ত না’রী’রা

৫টি কারণে প’রকীয়া করে বিবাহিত নারীরা প’রকীয়া কথাটা এখন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। প’রকীয়া করা খারাপ, এটা বাস্তব। বিবাহিত মহিলারা প’রকীয়াতে বেশি জড়ানোর কারণ খোঁজ করেছেন একদল গবেষক।

৪) স্বামীর দৃষ্টি আকর্ষণের অভাব: নানারকম কারণে অনেকের ক্ষেত্রেই স্বামীর মনোযোগ পায়না। এ থেকেই আসে মনোভ’ঙ্গ। এর থেকেই করে থাকে প’রকীয়া। ৫) অর্থ এবং ক্ষমতা: ভারতে,পরপুরুষের অর্থ এবং ক্ষমতার লোভে অনেকে ঘর ছেড়ে গেছেন। কিন্তু ভারতে নারীদের সংখ্যা এই ক্ষেত্রে অনেক কম।সামর’্থ্য হলে দেশের সব ভাস্কর্যই অ’পসারণ করব: মামুনুল আইনি, নৈতিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে সামর’্থ্য হলে দেশের

সব ভাস্কর্যই অ’পসারণ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুহা’ম্ম’দ মামুনুল হক। তিনি বলেন, তাদের এই অবস্থান ভাস্কর্যের বিরু’দ্ধে, কোনোভাবেই তা ব’ঙ্গবন্ধুর বিরু’দ্ধে নয়।রবিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় পুরানা পল্টনে খেলাফত মজলিসের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।মামুনুল হক বলেন,

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নেতা ব’ঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে একজন মর’হু’ম মুসলিম নেতা হিসেবে পরিপূর্ণ শ্র’দ্ধা করি এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। কখনো কোনোভাবেই এমন একজন মর’হু’ম জাতীয় নেতার বিরু’দ্ধাচরণ করি না এবং করাকে সমীচীনও মনে করি না।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাস্কর্য স্থাপনের চেষ্টা করা হলে সামর’্থ্যের মধ্যে এর বিরু’দ্ধে তিনি বলেই যাব’েন। তবে রাষ্ট্রের বিরু’দ্ধে কোনো যু;’দ্ধে জড়াবেন না। এমন কোনো পদ’ক্ষেপ নেবেন না যেটা হঠকারী হয় বা জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে।

এক প্রশ্নের জবাবে মামুনুল হক বলেন, ব’ঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বুড়িগ’ঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়া বা এ ধরনের কোনো বক্তব্য দিইনি। আমি বলেছি, আদর্শিক জায়গা থেকে কোনো ভাস্কর্য রাখা হবে না তিনি বলেন,যখন থেকে ভাস্কর্যের বিরু’দ্ধে কথা বলছি, তখন থেকে দ্ব্যর্থহীনভাবে বলছি, ভাস্কর্য যারই হোক, জিয়াউর রহমানের হোক অথবা অন্য যারই হোক,আমি ভাস্কর্যের বিরু’দ্ধে। সব ভাস্কর্য অ’পসারণের দাবি জানিয়ে আসছি।তিনি বলেন,
আমা’দের আইনগতভাবে, নৈতিকভাবে, রাজনৈতিকভাবেএবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সামর’্থ্য হলে জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্যসহ সব ভাস্কর্যই আমর’া মুসলমানদের জনপদ থেকে অ’পসারণ করার উদ্যোগ নেব। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মামুনুল হক বলেন, কোরআন–সুন্নাহর আলোকে পূর্বসূরিদের অনুসৃত পথে স্বচ্ছ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লক্ষ অর্জনের চেষ্টা