গো’পননা’ঙ্গে ক’তটুকু বড় হলে স্ত্রী’কে প’রিপূর্ণ তৃ’প্তি দেওয়া যাবে

পু’রুষের লি’ঙ্গ বড় হলেই যে তার স্ত্রী’কে পূর্ণ তৃ’প্তি দিতে পারবে এমনটা ভাবা বোকা’মী ছাড়া আর কিছু নয়। আপনি যদি আপনার স্ত্রী’কে পূর্ণতৃ’প্তি দিতে চান তাহলে আপনার স্ত্রী যতক্ষণ পর্যন্ত তৃ’প্তিবোধ না করছে ততক্ষণ পর্যন্ত আপনাকে স’হবা’স করে যেতে হবে।

মনে করুণ আপনার স্ত্রী ১০ মিনিটের কমে তৃ’প্তিবোধ করে না তাহলে আপনাকে ১০ মিনিট পর্যন্ত স’হবা’স চা’লিয়ে যেতে হবে।কিন্তু আপনার স্ত্রীর তৃ’প্তিবোধ করার পূর্বেই যদি আপনার তৃ’প্তি হয়ে যায় তাহলে আপনাকে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে।

এই কৌশল গুলো আপনি অবলম্বন করলে আপনার স্ত্রীও তৃ’প্তি পাবে।তাছাড়া আপনাকে এর সাথে যৌ’ন বৃ’দ্ধি কারক খাবার বেশি করে খেতে হবে ও যে সব খাবার খেলে যৌ’ন দূর্বলতা সৃষ্টি হয় সেসব খাবার পরিহার করতে হবে।

না’রীর পূর্ণতৃ’প্তি স’ম্পর্কে আগে বলে দিলাম এখন আসি পু’রুষের লি’ঙ্গ বড়ত্ব নিয়ে। লি’ঙ্গ সাধারণ সব পু’রুষেরই ৫ বা ৬ ইঞ্চি লম্বা হয়।

স’হবা’সের ক্ষেত্রে ৩ ইঞ্চি লম্বা হলেই যথেষ্ট। আপনার যদি যৌ’ন দূর্বলতা থাকে তাহলে আপনি অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আশা করি আপনি ভালো হয়ে যাবেন।

স্ত্রী’কে পূর্ণ তৃ’প্তি দিতে আমাদের সাইটে প্রকাশিত দুইটি বই আপনি ভালো ভাবে অধ্যায়ন করেন। স’হবা’সের অনেক কৌশল আপনি জানতে পারবেন।

মি’লনে সু’খ পেতে সকাল বেলা এই ৬টি কাজ অবশ্যই করুনমা-বাবার পরই যে মানুষটির সাথে আমরা সবচাইতে বেশী ঘনিষ্ঠ থাকি, তিনি হচ্ছেন জীবন স’ঙ্গী।

জীবন স’ঙ্গীর সাথে প্রেমের আ’নন্দ ও শান্তি ধরে রাখা যতটা সহজ, দাম্পত্যে ততটাই কঠিন? নিজের দাম্পত্য স’ম্পর্কে সু’খী হতে চান। জেনে নিন এমন ৬টি কাজের কথা যেগুলো প্রতিদিন সকালে করতে পারলেই সু’খী থাকবেন সারা জীবন।

১ জেগে ওঠার ব্যাপারটি সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ –
হ্যাঁ, সকালে সবারই খুব তাড়াহুড়া থাকে এবং ঘুম থেকে উঠতে গিয়ে অনেকেই হিমশিম খান। বলাই বাহুল্য যে মেজাজও খিঁচরে যায়। তবে সকালে নিজের স্বা’মী বা স্ত্রী’কে কখনোই ধমক দিয়ে বা রাগ করে ঘুম ভাঙাবেন না।

২ সকালে যৌ’ন মি’লন –
স’ম্পর্ক বি’ষয়ে অভিজ্ঞ যে কোন গবেষকরাই বলেন যে সকালে যৌ’নমি’লন দাম্পত্যকে অনেক বেশী মধুর করে তোলে। যেসব দম্পতিরা সকালে যৌ’ন মি’লন করেন,

তাঁদের প’রস্পরের প্রতি মমতা বেশী হতে দেখা যায়। রোজ না হোক, ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে সপ্তাহে ২/৩ বার সকালে ভালবাসুন প্রিয় মানুষটিকে। দেখবেন দিন জুড়েই দারুণ রোম্যান্টিক থাকবে স’ম্পর্ক।

৩ এক সাথে স্বা’স্থ্য সচেতনতা –
খুবই ভালো হয় যদি দুজনে মিলে সকালে মর্নিং ওয়াক করতে পারেন। সংসারের য’ন্ত্রণা থেকে দূরে সকালে কিছুটা সময় পাশাপাশি হাঁটলেন দুজন। এতে স্বা’স্থ্য রক্ষা তো হলোই, সাথে নিজেরা একটু নিরিবিলি কথা বলার ও সময় কা’টানোর সুযোগ পেলেন। দেখবেন এতে অনেক মনের কথাই জানা হবে প’রস্পরের।

৪ নাস্তা হওয়া চাই অবশ্যই একত্রে –
যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, ১০ মিনিট সময় বের করে একত্রে নাস্তা করুন সকালে। একজন নাস্তা করবেন, আরেকজন ঘুমিয়ে থাকবেন এমনটা যেন না হয়। স’ন্তানদের সাথে নিয়েই বসুন দুজনে।

৫ অপ্রীতিকর সবকিছু বাদ –
সকাল বেলায় সংসারের কম ঝামেলা নিয়ে আলোচনা করবেন না, গত রাতের ঝ’গড়াও সকালে টেনে আনবেন না। দোষারোপ করা, রাগারাগি করে ইত্যাদি সব সকালে ভু’লে যান।

৬ বিদা’য়ের আগে মিষ্টি ভালোবাসা –
সকালের পর বেশিরভাগ দম্পতিই অনেকটা সময়ের জন্য আলাদা হয়ে যাচ্ছেন। তাই বিদায়টা নিন সুন্দর করে। একটু চুমু, একটু আলি’ঙ্গন, একটু আদর ইত্যাদি ছোট ব্যাপার গুলো বাকি দিন ঘরে ফিরে আসার তাগিদ ধরে রাখবে প’রস্পরের মাঝে।