Wednesday , September 22 2021

পুরু’ষের শ’রীরের যে ৭টি অ’ঙ্গ বেশি পছন্দ করে না’রীরা

ত্যেক পুরু’ষেরই (male) জানতে ই’চ্ছা করে তাদের শ’রীরের কোন কোন অ’ঙ্গগুলোকে না’রীরা বেশি পছন্দ করেন। এই বি’ষয়ে এক গবে’ষণায় প্রায় ১০০ জন না’রীকে প্রশ্নটি করা হয় যে, পুরু’ষদের (male) কোন কোন অ’ঙ্গগুলো তাদের সবচেয়ে বেশি পছন্দের।

আর তাদের উত্তরের আনুপাতিক গড় হিসেবে নিচের ৭টি অ’ঙ্গের কথা উঠে আসে। এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো কী কী-চওড়া কাঁধ পুরু’ষদের চওড়া কাঁধকেই বেশি পছন্দ অধিকাংশ না’রীর।

বেশিরভাগ না’রীর ভাষ্যমতে, যার কাঁধ যত বেশি চওড়া হবে সেই পুরু’ষ (male) ততো বেশি হট আর সুদর্শন হয়।আ’কর্ষণীয় পেশী তৈরি করা অস্বাভাবিক পেশী অনেক না’রীই অপছন্দ করেন।

না’রীরা বলেন, পুরু’ষকে (male) তখনই অনেক বেশি আ’কর্ষণীয় দেখায় যখন নাকি তার পেশীবহুল বাহু টি-শার্টের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে।চওড়া বক্ষ জিমে গিয়ে অস্বাভাবিক দে’হ তৈরি নয়,

বরং যাদের প্রকৃতিগতভাবেই চওড়া বক্ষ রয়েছে তাদেরই পছন্দ করেন না’রীরা। সেইস’ঙ্গে চওড়া বক্ষের অধিকারী এ সব পুরু’ষের (male) স্ত’নের গড়নও তাদের বেশ ভালো লাগে।

সুমিষ্ট ঠোঁট পুরু’ষের (male) সুমিষ্ট ঠোঁট অনেক বেশি পছন্দের অনেক না’রীর কাছে। তবে অধিকাংশ না’রীই চিকন ঠোঁ’টের অধিকারী পুরু’ষদেরই (male) বেশি পছন্দ করেন।

আ’কর্ষণীয় হিপ পুরু’ষেরও হিপের সৌন্দর্য থাকা উচিত। হিপের স্বা’স্থ্য বেশি কমও না আবার বেশি মেদযুক্তও না এমন ধরনের হিপ না’রীরা পছন্দ করেন।

স্বা’স্থ্যকর হাত অনেক পুরু’ষই (male) আছেন যাদের ব’য়সের তুলনায় হাতের স্বা’স্থ্যের গড়ন ঠিকভাবে হয়নি। পুরু’ষদের এমন বাহু একেবারেই অপছন্দ করেন না’রীরা।

তারা এমন হাত পছন্দ করেন যেখানে কোনও অতিরিক্ত মেদ থাকবে না। সেইস’ঙ্গে একেবারে রো’গাও হবে না।প্রশ্ন: একটা মে’য়ের কত বছর ব’য়সে বিয়ে করা উচিত? বা মে’য়েদের বিয়ের ব’য়স (age) কত হলে ভাল এবং কেন ?

একটা ছেলের থেকে মে’য়ের (girl) মানষিক চিন্তাধারা, বাস্তবতার জ্ঞান ইত্যাদি আগে হয় যার কারণে মে’য়েদের বিয়ে ছেলেদের আগে হওয়ার কারণ হয়।

জানামতে হযরত আয়েশা (রাঃ) এর বিয়ে ৯ বছর, হযরত ফাতিমা (রাঃ) বিয়ে ১৫ বছর ব’য়সে (age) এবং তাদের তারা সু’খী ছিলো। তাই বর্তমান সময় অনযায়ী মে’য়ের বিয়ে ১৪-১৫ থেকে ৩০ ভিতর হওয়াই ভালো।

এর ভিতর আবার অনেক বি’ষয় মাথায় রাখতে হবে। যেমন: ১৪-১৫ বছর ব’য়সে (age) গ’র্ভধারণ করতে পারবে কিনা। যা অনেকসময় মে’য়েটির (girl) মৃ’ত্যুর কারণ হয়।

তারপর মে’য়ে (girl) সংসার ভালো সামলাতে পারবে কিনা। এক্ষেত্রে হয়তো দেখা যায় অনেক স্বা’মী তার ১৪-১৮ বছরের অল্প ব’য়সের (age) স্ত্রীর কাছে ২১ থেকে বেশি ব’য়সের স্ত্রীর মতো আচরণ, কাজকর্ম ইত্যাদি আশা করে। যা স’মস্যা কারণ হয়।

আবার অনেকের এসব বি’ষয়ের ক্ষ’মতা ১৪-১৫ বছর ব’য়সে (age) অর্জন করে যার কারণে তারা সু’খী হয়।এরপরের বি’ষয় মে’য়ের (girl) পড়ালেখা ।

অনেক মে’য়ের পড়ালেখা অনেক ভালো। সে ভালো ডাক্তার , ইঞ্জিনিয়ার বা ভালো কিছু হয়ে ভালো ক্যারিয়ার গড়তে চায়। এক্ষেত্রে তার পড়ালেখা ন’ষ্ট করে বিয়ে না দেওয়াই ভালো। আবার,

বিয়ে দেওয়াও যায়। অনেক স্বা’মী এবং তার ফ্যামিলি বিয়ের পরও পড়ালেখা করতে দেয় যারা স্ত্রীর পড়ালেখা অনেক গুরুত্ব দেয় এক্ষেত্রে যথেষ্ট যত্ন নেয় এবং তারা অনেক সচেতন। তাই এই বি’ষয় মাথায় রেখে বিয়ের বিবেচনা করতে হবে।

এরপর আসে মে’য়েটির (girl) মন মানষিকতার উপর। সে এখন বিয়ে করতে রাজি কিনা? এক্ষেত্রে চা’প প্রয়োগ না করাই ভালো। চা’প প্রয়োগ করতে হবে তখন যখন মে’য়েটি ইচ্ছে করে সময় ন’ষ্ট করে।

কোনো বাজে সম্প’র্কে জড়িয়ে পড়ে বাজে কাজ করে ইত্যাদি। তাই মে’য়ের মানষিকতা দেখতে হবে। তার ইচ্ছের বি’রুদ্ধে বিয়ে দেয়া যাবে না। তার পছন্দ ও মতামতের প্রাধান্য দিতে হবে।

তারপর আসে মে’য়েটি (girl) সৌন্দর্য, রূপ-লাবণ্যতা। যা একটা নির্দিষ্ট ব’য়স (age) পর ন’ষ্ট বা শেষ হওয়া শুরূ হয় । তাছাড়া একটি ছেলের জন্য মে’য়ের সৌন্দর্য রূপ লাবন্যের গুরুত্ব অনেক।

কারণ একজন ভাগ্যবান ছেলে সুন্দরী স্ত্রী থাকে। যদিও অনেকে বলে তাহলেতো শুধু মে’য়েটির (girl) রূপ দেখেই বিয়ে করা হলো, তার মন দেখে না।কারণ, রূপ বেশি দিন থাকে না, মন থাকে সারাজীবন।

আমি বলি যতদিন রূপ থাকে ততদিনই এর গুরুত্ব থাতে কারণ একটা ব’য়স (age) পর্যন্ত রূপের চা’হিদা থাকে এরপর আর থাকে না বলে এই সময় রূপ ও থাকে না। যা আল্লাহ মানুষকে ঐ সিস্টেমে ঐ নিয়মে মানুষের সুবিধা অনুযায়ী করেছে।

তবে সবক্ষেত্রে এমন হবে কথা নেই কারণ কালো মে’য়েও (girl) থাকে।আবার কালো মে’য়ের আলাদা রূপ মায়া সৌন্দর্য থাকে। আর মে’য়েদের এই রূপ স্বা’মীদের জন্য উপহারও বলা চলে। তাই মে’য়েদের রূপ লাবন্যের দিক খেয়াল রাখতে হবে।

নয়তো ছেলেরা আর বিয়ে করতে চাইবে না যা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হয়। আবার অনেক ছেলে আছে রূপকে প্রাধান্য দেয় না, তারা মনকে প্রাধান্য দেয় তবে তাদের সংখ্যা কম। তাই স্বাভাবিক ভাবে এসব কথা মনে রাকতে হবে।

এরপর আসে গ’র্ভধারনের বি’ষয় । অনেকে দেরিতে বিয়ে করে বা আশা করে । যা তাদের পরবর্তীতে গ’র্ভধারনে স’মস্যা করে । কারণ এ সময় দেখা যায় হয়তো সে মা হবার ক্ষ’মতা হারায় বা সহজে মা হতে পারে না।

ঐ সময় বুঝে মা হতে না পারা কত ক’ষ্টের বা স্বা’মীকে বাবা না হতে দেবার পারা অনেক ঝামেলার ।যা সংসারে অনেক ঝামেলার সৃষ্টি করে আর অনেক ক্ষেত্রে তা ডিভোর্স পর্যন্ত গড়ায়।

এছাড়াও আরো অনেক বি’ষয় মাথায় রেখে সুবিধামতো ব’য়সে (age) মে’য়েদের (girl) বিয়ে করা উচিত।বি:দ্র: আমার মতামত নাও ভালো লাগতে পারে।