জীবনের শেষ ইচ্ছে পূর্ণ হলো না এটিএম শামসুজ্জামানের, তার আগেই মৃত্যু

১১ বার হজ করেছেন কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। ফের হজে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল জনপ্রিয় এই অভিনেতার। মক্কা ও মদিনার প্রেমে পাগল উল্লেখ করে এই অভিনেতা বলেছিলেন,

সুস্থ থাকলে ফের হজ্বে যাওয়ার ইচ্ছে রয়েছে। কিন্তু সেটা অপূ’র্ণই থেকে গেল। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তার মেয়ের বাসায় বসে সাংবাদিকদের নিজেই জানিয়েছিলেন এটিএম শামসুজ্জামান।

অধ্যাপক আতিকুর রহমান বলেন, আগে দুবার উনি আমার অধীনে ভর্তি ছিলেন। এবার ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ‘স্ট্রো’ক করেছেন। শরীরের এক পাশ অব’শ। একটি চোখের এক পাশে ভা’ইরা’ল অ্যা’টা’ক হয়েছে।

শা’রীরিক অবস্থা খুবই দুর্ব’ল। সবকিছু বিবেচনায় আমরা ওনাকে নিউ’রোমে’ডিসিন বিভাগের অধীনে ভর্তির পরামর্শ দিয়েছি। বর্তমানে তিনি ‘নিউরোমে’ডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের অধীনে ভর্তি আছেন।

২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল রাতে বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন এ টি এম শামসুজ্জামান। সেদিনও খুব শ্বা’সক’ষ্ট হচ্ছিল। সেই রাতে তাঁকে রাজধানীর গেন্ডারিয়ার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অ’স্ত্রোপ’চার করা হয়।

টানা ৫০ দিন এই হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ঐ বছরেরই ১৫ জুন তাঁকে শাহবাগের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তাঁকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে ২০১৮ সালেওর ২৫ নভেম্বর আ’ন্ত্রি’ক প্র’তিব’ন্ধকতা দেখা গেলে এ টি এম শামসুজ্জামানকে জরুরি অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়েছিল। এটিএম শামসুজ্জামানের ‘মৃ’ত্যু’র গু’জ’ব বারবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু সে গুজবকে পাশ কা’টি’য়ে দিব্যি বেঁচে ছিলেন।

তবে এবার আর হলো গু’জ’ব ছড়াল না। বিদায় নিলেন আজীবনের জন্য। জীবনাবসান ঘটল এই কিংবদন্তির।শেষবার যখন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন, ‘তখন এই কিংবদন্তি অভিনেতা বলেছিলেন, আমি ১১ বার হজ করেছি, আরো একবার অন্তত যাওয়ার ইচ্ছা আছে।’ তবে এই ইচ্ছা অপূ’র্ণই থেকে গেল। শরীরের সমর্থন না থাকা, ক”রো’না ভা’ই’রা’সের কারণে গোটা পৃথিবীর স্ত’ব্ধ হয়ে যাওয়া- সব মিলিয়ে আর সেটা হয়ে ওঠেনি।