রাকিবকে আমার বাটপার মনে হচ্ছে : মারিয়া মিম

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিক। ভালোবেসে ২০১২ সালের ২৪ মে বিয়ে করেছিলেন মারিয়া মিমকে। ২০১৩ সালে জন্ম হয় এ দম্পতির প্রথম সন্তান আরশ। কিন্তু মান অভিমানের কারণে ২০১৯ সালের অক্টোবরে সিদ্দিককে তালাক দেন মিম।

এরপর গুঞ্জণ ছড়িয়ে পড়ে ক্রিকেটার নাসির হোসেনের সঙ্গে মিমের নাকি প্রেমের সম্পর্ক। আবার কেউ কেউ বলছেন নাসির তার প্রাক্তন প্রেমিক। আর এ নিয়ে নানাভাবেই বিব্রত হচ্ছেন মারিয়া মিম।

এ প্রসঙ্গে মারিয়া মিম বলেন, ‘বিভিন্নজন ফোন দিয়ে নাসির সম্পর্কে নানা কথা জিজ্ঞেস করছে। আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি আমাকে এসব জিজ্ঞেস করছে কেন?’

এ নিয়ে ফেসবুকেও একটি পোস্ট লিখেছেন, ‘নাসির নাসির করে আমাকে মেসেজ দেওয়া বন্ধ করেন। কারো পারসোনাল লাইফ নিয়ে পড়ে থাকি না। ওর ওয়াইফ এর কাহিনি সত্য না মিথ্যা নিউজ এটা তো জানতে পারছেন। আমার কাছে জানার কি আছে?’

বিষয়টা আসলে কি, ‘কেনইবা নাসিরের সঙ্গে আপনার সম্পৃক্ততার কথা আসছে? প্রশ্নের জবাবে মিম বলেন, নাসিরের বিয়ের অনুষ্ঠানে দাওয়াত ছিল। অল্প কিছু মানুষ অবশ্য সেই আকদ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছিল। সেখানে গিয়েছি। নাসিরের সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবিও তুলেছিলাম। ওসব ফেসবুকে পোস্ট করার পর থেকেই যন্ত্রণায় পড়েছি। মানুষ কদিন থেকে অত্যাচারে অতিষ্ঠ করে তুলছিল। আর শনিবার নাসিরকে নিয়ে নতুন খবর প্রককাশ হবার পর আরো শুরু হয়েছে- আমি নাকি নাসিরের প্রেমিকা ছিলাম।’

তাহলে নাসিরের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে মিম বলেন, স্রেফ বন্ধুত্ব। নাসির আমার বন্ধু। সেই হিসেবে আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। বন্ধুর সঙ্গে কিছু ছবি তুলেছি, এই যা- এর বাইরে কিছু নয়।

এবার নাসির-তামিমা ইস্যুতে আলোচিত রাকিবকে নিয়ে মুখ খুলেছেন মিম। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। মারিয়া মিমের স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

রাকিবকে আমার বাটপার মনে হচ্ছে। মেয়েকে দেখতে আসার নাম করে চুরি করে নিয়ে গেছে আর এখন ব্লেইম দিচ্ছে মায়ের। সব স্বামীরাই বাচ্চাদের ব্যবহার করে মানুষের কাছে মহান হওয়ার জন্য। সিদ্দিকও একই কাজ করেছে। আরশকে ওর কাছে আটকে রেখে আমাকে মানুষের কাছে ছোট করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আমি বাচ্চার সঙ্গে কথা বলি না, বাচ্চাকে আমার কাছে নেই না। সেই বাচ্চাকে আমার কাছে নেয়ার জন্য মামলা পর্যন্ত করতে হয়েছে।

এখন আরশ আমার কাছে থাকে তারপরও মানুষে খারাপ মন্তব্য শুনতে হয়। ডিভোর্স হলে মেয়েদেরকেই কথা শুনতে হয়। আর এখানে স্বামীরা হয়ে যায় মহান। রাকিবকে সাপোর্ট না দিয়ে ভালো করে জানা উচিত ও সত্যি নাকি মিথ্যা বলছে। আর মিথ্যা হলে রাকিবকে এমন শাস্তি দেওয়া উচিত যাতে কোনো স্বামী এসব হয়রানি করার সাহস না পায়।