একই পরিবারে ৬ জন মেয়ে বৈজ্ঞানিক, চারজন বিদেশে থাকে

আজকের যুগে মেয়েরা ছে’লেদের তুলনায় কোনো অংশেই কম নয়। প্রতিটি অঞ্চলের মেয়েরা তার বাবার নামের পাশাপাশি দেশের নাম উজ্জ্বল করছে। ভা’রতের বেশিরভাগ পরিবারেই কন্যা সন্তানের চেয়ে পুত্রসন্তানের আ’কাঙ্ক্ষা বেশি।

কিন্তু আজ আম’রা আপনাকে হরিয়ানার এক শিক্ষকের কন্যার সাফল্যের কথা বলতে যাচ্ছি, যা শুনলে আপনারাও এরকম একটি কন্যা সন্তানের জ’ন্ম দিতে চাইবেন। সানি পটের ভাদানা গ্রামের শিক্ষকের 6 টি কন্যা সারাদেশে তাদের বাবার নাম উজ্জ্বল করেছে।এই কন্যারা প্রমাণ ক’রেছেন যে তারা কোনো অবস্থাতেই ছে’লেদের থেকে পি’ছিয়ে নেই। ছয়জন মেয়ের মধ্যে চারজন বিদেশে অব’স্থান করছেন, এবং বিভিন্ন গু’রুত্ব পূর্ণ ক্ষেত্রে গবেষণা করছেন। একটি কন্যার ক্যা’ন্সার স’স্পর্কিত গবেষণা অনুমোদিত হয়েছে, যখন দুটি কন্যা দেশে বসবাসরত।

তারা দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার অধ্যাপক এবং গবেষণা কাজ করছেন। শিক্ষক তার 6 টি কন্যাকে দুর্গার রূপ বলেছেন। শিক্ষক তার কন্যাদের সাফল্যে খুব খুশি। তারা বলেছে যে আমাদের গুণগু’লি আমাদের রূপের চেয়ে বেশি।আপনাকে বলি যে ভাদানার জগদেব ডাহিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন তাদের ছয়টি মেয়ে এবং একটি ছে’লে রয়েছে। লোকেরা প্রায়শই এই ধ’রনের ধারনা পোষন করেন যে কন্যারা পরিবারের বোঝা।

তাই অনেকেই তাদের কন্যাদের শিক্ষিত করে না, বরং তাদেরকে বাড়ির কাজ ক’র্মে লাগিয়ে দেয়, কিন্তু শিক্ষকটি তাদের কন্যাদের লেখা পড়ার ক্ষেত্রে কোনো আপোষ করেননি। তিনি তার মেয়েদের প্রাথমিক শিক্ষা গ্রামের স্কুল থেকে করেছিলেন।সমস্ত কন্যা সোনাপুর টিকারাম গার্লস কলেজ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী এবং হিন্দু কলেজ থেকে বিএসসি ক’রেছেন তিনি তার মেয়েদের উচ্চশিক্ষার জন্য চণ্ডীগড়ে পাঠিয়ে দেন। জাগদেব ডাহিয়া কে বলতেই হবে তার সমস্ত কন্যা তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ।

চিকি’ৎসক, সঙ্গীতকার, পদার্থবিজ্ঞান থেকে এমএসসি, পিএইচডি, বায়োটেকনোলজিস্ট ডাক্তার মনিকা ডাহিয়া, বায়োটেকনোলজিস্ট ডাক্তার নিতু ডাহিয়া, কল্পনা ডাহিয়া এবং সর্বকনিষ্ঠ ডাক্তার রুচি ডাহিয়া। তার বড় মেয়ে ডাক্তার সঙ্গীতা বর্তমানে জি ভি এম কলেজে’র পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপিকা।চার নম্বর মেয়ে ডাক্তার কল্পনা ডাহিয়া চণ্ডীগড়ের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পদে প্রতিষ্ঠিত। শিক্ষকের অ’পর কন্যা মনিকা কানাডার টরন্টোতে একজন বিজ্ঞানী। ডাক্তার নিতু ডাহিয়া আ’মেরিকার খাদ্য ও ওষুধ বিভাগের বিজ্ঞানী।

তার আরেক কন্যা হলেন ওয়াশিংটনের স্বা’স্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞানী ড্যানি ডাহিয়া। রুচি যু’ক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ইউনিয়নে গবেষণা করছেন। শিক্ষক জগদেভ ডাহিয়া এবং তার স্ত্রী’ তাদের কন্যাদের সাফল্যে অ’ত্যন্ত গর্বিত। জগদেভ বলেছেন যে তার ছে’লে যোগেশ ডাহিয়া এমবিএ শেষ করে বর্তমানে অনলাইনে ব্যবসা চালাচ্ছেন।