হেফাজত কর্মীদের মা’মলা বিনা খরচে পরিচালনার দায়িত্ব নিতে চান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইমরুল চৌধুরী

হেফাজতের কোন কর্মী আসামী শ্রেণিভুক্ত হলে বীনা খরছে তার মা’মলা পরিচালনার দায়িত্ব নিতে চাই।’বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের টাইমলাইনে পোস্ট করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট জনাব,ইমরুল চৌধুরী।

বর্তমান সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশার প্রেক্ষাপট নিয়ে দেশে চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা থেকে শুরু করে নানা রকম জটিলতা।

সম্প্রতি হেফাজতের হরতাল করায় পু’লিশ অনেক হেফাজত কর্মীকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে।সেই প্রস’ঙ্গে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট ইমরুল চৌধুরী তার নিজের ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট করেন এবং তা খুব দ্রু’ত ছড়িয়ে পড়ে এবং আসেন ব্যাপক আলোচনার মাঝে।

ইতিমধ্যে তিনি অনেক প্রশংসাও পেয়েছেন এদেশের ধর্মপ্রা’ণ মু’সলমানদের থেকে।এর আগেও ইসলাম বিদ্বেষীদের বি’রুদ্ধে তার পদক্ষেপের কারণে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি।

বার্তা ওয়াল্ড সংবাদ এর সাথে ওনার কথপোকথন হয়।উনি আমাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন।

‘আপনি কি হেফাজতের জন্যই নাকি যারা গ্রে’ফতার হয়েছে তাদের জন্যও আপনার এই উক্তিটি উল্লেখ করেছেন?’
এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি আমাদের বলেন,”আপনার প্রশ্নের উত্তরে আমি বলব,

‘সকল অন্যায়ের বিপক্ষে আমি। হেফাজত কোন রাজনৈতিক দল নয়। হেফাযত যে শান্তিপুর্ন আন্দোলন করেছে তার সাথে আমি একমত। তাই আমি হেফাজতের সাথে আছি থাকব। হেফাজতের অনেক আইনজীবী আছে। তবু তারা যদি আমাকে আইনজীবী হিসেবে নিতে চায় তাইলে আমি বিনা স্বার্থে আইনি সহায়তা করব।”

প্রশাসনের সম্প’র্কে উনার মন্তব্য জানতে চাইলে উনি আমাদের জানান,’প্রশাসন এর কোন দোষ নেই। প্রশাসনের সাথে যেসব স’ন্ত্রাসীরা থাকে তাদেরই দোষ এবং হ’ত্যা ও করেছে পু’লিশের সাথে থাকা স’ন্ত্রাসীরা।

দেখু’ন পু’লিশ এর সাথে যারা থাকে এদের পুকিশ ডেকে আনেনা। রাজনোইতিক বিশৃংখলা বাড়ানোর জন্য কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তি এমন করে থাকে। তাই প্রশাসন নিয়ে কোন বক্তব্য নেই।

আরও সংবাদ

রোজায় অফিস সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত

রমজান মাসে সব স’রকারি, আধা-স’রকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য এ অফিস সময়সূচি প্রযোজ্য হবে

রোজার সময় সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস খোলা থাকবে। সোমবার (৫ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ সি’দ্ধান্ত হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ স’চিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ ত’থ্য জানিয়েছেন।

বৈঠকে সি’দ্ধান্তে বলা হয়, রমজান মাসে সব স’রকারি, আধা-স’রকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য এ অফিস সময়সূচি প্রযোজ্য হবে ।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বৈঠকে খেতাবপ্রা’প্ত যু’দ্ধাহত ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে উৎসব ভাতা প্রদানের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধা বছরে ১০ হাজার টাকা করে দুটি উৎসব ভাতা পাবেন। আর মৃ’ত মুক্তিযোদ্ধার পরিবারে পাবে দুই হাজার টাকা। এছাড়া জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় দিবস ভাতা পাবেন ৫ হাজার টাকা করে।