লা’ঠি নিয়ে মাঠে না’মতে হবে, তাহলে মানুষ ঘরে ফিরবে: শা’মীম ওসমান

শা’মীম ওসমান বলেন, কা’রফিউ দিলে তো সে’নাবাহিনীই নামবে। সে’নাবাহিনী তো মাঠে আছেই, র‍্যা’ব-পু’লিশ-বি’জিবিও মাঠে। না’রায়ণগঞ্জের প’রিস্থিতি যতই খারাপ হউক না কেন মানুষকে ঘরে ফেরানো যাচ্ছে না। লকডাউন ও কারফিউ দিয়েও লাভ হচ্ছে না।

তারা একদিক দিয়ে টহল দিয়ে যাচ্ছে আরেক দিক দিয়ে মানুষ বের হচ্ছে।লাঠি নিয়ে না নামলে মানুষকে ঘরে রাখা যাবে না। তই লাঠি নিয়ে স্বে’চ্ছাসেবক বা’হিনীকে মাঠে নামার আহবান জানান না’রায়ণগঞ্জের সংসদ স’দস্য এ কে এম শামীম ওসমান।

শু’ক্রবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার সময় এ কথা বলেন তিনি।তাহলে এখন কী করা? আমার মতে প্রতিটি পাড়া মহল্লায় স্বে’চ্ছাসেবকের হাতে লাঠি দিয়ে মানুষকে ঘরে ফেরাতে হবে।

কি’ন্তু দুই একটা মিডিয়া লিখে দিল লাঠি হাতে যুবকরা মহিলাদের বাড়ির সামনে হৈ চৈ করছে। তাহলে কী দাঁড়ালো কাজ করতে গেলেও স’মস্যা, না করলেও সমস্যা।

তিনি বলেন, এ ব্যাপারে সাং’বাদিকদের অং’শগ্রহণ প্রয়োজন। তাহলে নি’র্বাচিত জ’নপ্রতিনিধি, রা’জনৈতিক দল, পঞ্চায়েতকে নিয়ে এলাকায় এলাকায় সামাজিক দূ’রত্ব বজায় রেখে আমরা ৮-১০ জন স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে টিম করে মাঠে নামাবো। কমিটিতে যারা থাকবে তাদের একটা আইডি কার্ড প্রশাসনের কাছে থাকবে।

তিনি আরো বলেন, আমি না’রায়ণগঞ্জের সাং’বাদিক সমাজকে অনুরোধ করে বলছি আমি কিন্তু লোক নামিয়েছিলাম। ফতুল্লা ও সি’দ্ধিরগঞ্জের কয়েকটা এলাকায় লাঠি নিয়ে স্বে’চ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করেছে তারা। তাদের কাজ শুধু পাড়া মহল্লায় মানুষকে ঘর থেকে বের হতে বারণ করা।

শামীম ওসমান বলেন, সরকারি সাহায্য আসছে সেটা সরকারি লোকজন বিতরণ করছে। আমি আমারটা করছি। কারণ সরকারি সাহায্যের বাইরেও আমার সাহায্য দেয়ার ক্ষমতা আছে। আমি করছি।

খাবার নিয়ে মানুষকে চিন্তা না করার অনুরোধ জানিয়ে শামীম ওসমান বলেন, আমরা দুই ভাই (শামীম ওসমান-সেলিম ওসমান) যদি মানুষের কাছে হাত পাতি, নিজেরা তো দিবোই,

কারণ এখনই প’রীক্ষা দেয়ার সময়। বিপদে পড়লে মানুষ যদি আমাকে কাছে না পায় তাহলে কিসের জন্য কার জন্য রাজনীতি করি। আরও ৫-১০ কোটি টাকা মানুষের কাছ থেকে সহযোগিতা নেয়া কোনো ব্যাপারই না। এই টাকা দিয়ে আমরা মানুষকে ডাল-ভাত খাওয়াইয়া রাখতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।বের হলে যে কোনো উপায়ে তাকে ঘরে ঢুকিয়ে দেয়া। এছাড়া মানুষকে ঘরে রাখা কোনোভাবেই স’ম্ভব নয়।