প’রকীয়া প্রে’মিকার ঘরে রাতভর আ’নন্দ, অবশেষে ধরা

রংপুরে এক গৃ’হবধূ’র স’ঙ্গে রা’তভ’র অসা’মাজি’ক কা’র্যক’লাপে লি’’প্ত থাকার পর সকা’লে ধ’রা পড়লে’ন’ পু’লিশ সদস্য লি’টন আলী। শনিবা’র সকালে ন’গরীর আ’মাশু কু’করু’ল পূর্ব পাড়া এ’লা’কায় এ ঘট’না ঘটে।

লি’টনের বা’ড়ি রংপুরের ‘তারাগঞ্জ উপ’জে’লায়। তিনি ঢাকার ‘আ’শু’লিয়া শিল্প থা’নায় কর্ম’রত বলে জা’না গেছে।স্থানী’য়’রা জানান, ওই গৃ’হ’বধূর পূর্ব পরিচিত পু’লি’শ স’স্য লি’টন। এর সুবা’দে তার স’ঙ্গে পর’কী’য়ায় জড়ি’য়ে পড়েন ‘লিটন। ঘ’টনার দিন শু’বার রা’তে ওই না’রীর স্বা’মী তার এ’কমাত্র মে’য়ে’কে নিয়ে আ’ত্মী’য়র বাসায় বে’ড়াতে যান।

বাড়ি’তে শাশু’ড়ি ও ওই গৃহ’বধূ ছি’লেন। শু’ক্র’বার রা’তের কোনো এক সম’য় লিটন ওই বা’ড়িতে ঢুকে রাত যাপ’ন শে’ষে স’কাল ৭টার দিকে বেরি’য়ে যাও’য়ার সম’য় প্রতিবেশী এক দ’ম্পতি তা দে’খে ফে’লেন।

এ সময় ওই দম্প’তি তাকে ‘আ’টক করে অন্য প্রতি’বেশী’দের খ’বর দেন। পরে প্র’তিবেশী’রা জ’ড়ো হ’য়ে উ’ত্তে’জিত হয়ে পড়েন। খবর পে’য়ে সংশ্লি’ষ্ট ওয়া’র্ডের কাউ’ন্সিলর হা’রাধ’ন রায় হারা ও পর’শু’রাম থানা পুলি’শ ঘ’টনা’স্থল পৌঁছে পরিস্থিতি নি’য়ন্ত্রণে আনে।

প’রকীয়াপরশু’রাম থানার এসআই আ’লতাব হো’সেন ঘ’টনা’স্থলে উপ’স্থিত থেকে সাংবা’দিকদে’র জানান, স্থা’নীয়’রা উ’ত্তে’জিত হলে পরি’স্থিতি পুলি’শের নি’য়’ন্ত্রণের বা’ইরে চলে যাও’য়ার উপক্রম হয়। এ অব’স্থায় কাউন্সি’লরে’র সহা’য়তা নিয়ে পু’লিশ সদ’স্যকে আ’টক করা হয়ে’ছে। তাকে জি’জ্ঞাসা’বাদ চলছে।

৫০ বছর ধরে বিয়ে পড়ান ভুয়া কাজি ! নিবন্ধ’ন না থাকার পরও বিয়ে পড়ানোর অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোহাম্ম’দ মোসাদ্দেক হোসেন (৬১) নামে এক ব্যক্তিকে সোমবার দুপুরে বিয়ের আসর থেকে আ’টক করা হয়েছে। পৌর এলাকার কাউতলীর একটি হোটেল থেকে কাজি সমিতির নেতারা তাঁকে আ’টক করে পু’লিশের হাতে তুলে দেয়।

আ’টক মোসাদ্দেক জে’লার নবীনগর উপজে’লায় শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের বানিয়াচং গ্রামের মৃ’ত শরীফ উদ্দিনের ছেলে। তাঁর কাছ থেকে একটি বিয়ে নিবন্ধ’ন বই ও দুটি তালাক নিবন্ধ’ন বই এবং সিলমোহর উ’দ্ধার করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জে’লা কাজি সমিতির সভাপতি ইয়াহিয়া মাসুদ জানান, মোসাদ্দেক স’রকারের নিবন্ধিত কোনো কাজি নন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজি পরিচয়ে বিয়ে পড়িয়ে আসছিলেন। তাজ হোটেলে একটি বিয়ে নিবন্ধ’ন করার সময় কাজি সমিতির নেতারা তাঁকে হাতেনাতে আ’টক করেন। এরপর তাঁকে জে’লা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চ’ক্র ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধ’ন করে আসছে। মূ’লত নিবন্ধিত কাজিরা যেসব বিয়ের নিবন্ধ’ন কাজ প্রত্যাখ্যান করেন- ওই চ’ক্রটি সেসব বিয়ে নিবন্ধ’ন করে থাকে।

আ’টক মোসাদ্দেক জানান, তিনি ১৯৭১ সাল থেকে কাজির দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাগজপত্রের বৈধতা নিয়ে আ’দালতে মা’মলা আছে। মা’মলার একাধিক রায়ও তিনি পেয়েছেন।

জে’লা রেজিস্ট্রার স’রকার লুৎফুল কবির বলেন, আ’টক ব্যক্তি নিবন্ধিত কাজি নন। তাঁর বৈধতার পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। এ ছাড়া তাঁর কাছে পাওয়া নিবন্ধ’ন বইগুলোও নকল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পরিদর্শক (ত’দন্ত) মুহাম্ম’দ শাহজাহান জাহান, ওই ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ বি’ষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।