সাব’ধান! না’রীর যো’নিতে মুখ দেওয়ার আগে এ’ই বিষয়টা জে’নে নিন

না’রীদের যো’নি চু’ষলে তারা অসাধারন যৌ’ন অনুভূতি অনুভব করে। তবে, সে’ক্সের শুরুতেই না’রীদের যো’নিতে চুমু (kiss) না খেয়ে তার যৌ’ন কাতর স্থানগুলোতে (স্ত’ন, যো’নি, নিতম্ব, নাভী ইত্যাদি) চলে গেলে তার ধারনা হতে পারে যে আপনি তাকে টাকা দিয়ে ভাড়া করে দ্রু’ত সেই টাকা উসুল করার চেষ্টা করছেন।

গভীরভাবে ভালোবাসার সাথে স’ঙ্গিনীকে চুমু (kiss)খাওয়া দুজনের জন্যই প্রকৃতপক্ষে এক অসাধরন যৌ’নানন্দময় সে’ক্সের সূচনা করে।অনেকেই দাড়ি না কামিয়ে সে’ক্স করেন, এই মনে করে যেআসল কাজ তো আমার হাত আর লি’ঙ্গের! কিন্ত যখন আপনার স’ঙ্গিনীকে চুমু (kiss)খাবেন, তার স্ত’ন চু’ষবেন,

তার সারাদে’হে জিহবা বুলাবেন এবং বিশেষ করে যখন না’রীদের যো’নি চু’ষবেন তখন আপনার ধা’রালো খোচা খোচা দাড়ি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার স’ঙ্গিনীকে আ’নন্দ নয় বরং অসস্তি ও ব্য’থা দেবে। তাই সে’ক্সের আগেভালোমত দাড়ি কামিয়ে নেয়া উচিত।

অনেক ছেলে (boy) না’রীদের যো’নি চো’ষাটা ঘৃন্য মনে করলেও বেশির ভাগ ছেলেই (boy) একবার মুখ দিয়ে সেখানের স্বাদ অনুভব করার পর থেকে এর পরতি চ’রমভাবে আসক্ত হয়ে পড়ে।এমনকি যারা যো’নি মুখ দেয়ওনা তারাও অন্তত হাত দিয়ে হলেও মেয়েদের সবচাইতে গো’পন স্থানটিকে বারবার আদর করার লোভ সামলাতে পারেন না। সেটা ঠিক আছে।

কিন্ত অনেকেই এর প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে দেখাযায়, তার স’ঙ্গিনীর যে যো’নি ছাড়াও যৌ’নসংবেদী প্রায় পুরো একটা দে’হই রয়েছে সে কথা ভু’লে যায়।তাই সে’ক্সের শুরুতেই এমনকি বেশিরভাগ সময়ই মুখ দিয়ে না হলে হাত দিয়ে ঘুরেফিরে যো’নিটাকেই বেশি উ’ত্তেজিত (Excited) করার চেষ্টা করে।

কিন্ত এর জন্য স’ঙ্গিনী পুরো সময়টাই অসহ্যবোধ করে কারন ছেলেদের (boy) মত শুধু লি’ঙ্গতে সু’খ পেয়েই তারা এত সহজে যৌ’নত্তেজিত হতে পারে না। মেয়েরা তাদের সারা দে’হেই তার স’ঙ্গীর আদর পেতে চায় আমাদের দেশে অনেক ছেলেই (boy) না’রীদের যো’নি চু’ষতে চায় না।

অনেক সময় স্ত্রী (wife)বা গার্লফ্রেন্ডের অনুরোধেবহুক’ষ্টে যো’নিতে মুখ দিলেও তা কোনমতে ঘেন্নারসাথে হাল্কা পা’তলা চু’ষে।এমনটি কখনোই কর যাবে না।এভাবে হাল্কা করে চু’ষতে গেলে স’ঙ্গিনী সে স্পর্শ সঠিকভাবে পাওয়ার জন্য আরো উতলা হয়ে উঠে। ফলে সে স্বাদ পাওয়ার জন্য সে অন্যপুরু’ষের (male) স্মরনাপন্ন হতে পারে। তাই একাজটা মনোযোগ দিয়ে করতে হবে।

সে’ক্সের সময় ছেলেদের (boy) একটা কথা সবসময়মনে রাখতে হবে যে মেয়েদের স্ত’ন, যো’নি আর নিতম্ব এই তিনটিই তাদের একমাত্র যৌ’নকাতর স্থান নয়। ছেলেদের (boy) মূ’ল যৌ’ন কাতর অ’ঙ্গ তাদের দে’হের মাত্র কয়েকটি স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও মেয়েদের প্রায় পুরো দে’হই স্পর্শকাতর(sensitive) ।

প্রাচীন কালের জন্মনিয়ন্ত্রণের আজব কিছু নিয়ম
চীনে গর্ভধারণ এড়াতে অদ্বূত এক পদ্ধতি অবলম্বন করা হত। আর সেটা হচ্ছে তেল আর পারদের মিশ্রণ পান করা। খালি পেটে নারীদেরকে অসময়ে গর্ভধারণ থেকে বাঁ’চার জন্যে এই মিশ্রণটি খেতে হত। যদিও এখন আম’রা জানি পারদ হাড় আর শরীরের জন্যে ঠিক কতটা ক্ষতিকর!

চাঁদের দোষ:
গ্রীনল্যান্ডে মনে করা হত একজন নারীর গর্ভবতী হওয়ার পেছনে সবচাইতে বড় অবদান হচ্ছে চাঁদের। আর তাই গর্ভধারণ এড়াতে চাঁদকে এড়িয়ে চলত নারীরা।
তাকাতো না চাঁদের দিকে। এমনকি ঘুমোতে যাওয়ার আগে নিজেদের পেটে থুতু লাগিয়ে নিত তারা। যাতে করে ঘুমের ভেতরেও চাঁদ কোন ধরনের ঝামেলা করে ফেলতে না পারে।

নেকড়ের মূত্র:
মধ্যযুগে বেশ ভালো রকমের অন্ধ বিশ্বা’স ছিল সবার ভেতরে। বিশেষ করে ব্যাপারটা ঔষধ নিয়ে হলে তো কথাই নেই! চিকিৎসার নানারকম ধরন ছিল তখন।
আর তারই একটা অংশ হিসেবে সেসময় নারীদের অযাচিত গর্ভধারণ থেকে দূরে থাকতে যৌ’নমিলন করবার আগেই ঘরের বাইরে গিয়ে কোন নেকড়ের মূত্র ত্যাগ করার স্থানের ওপর মূত্র ত্যাগ করতে হত। কিংবা ঘুরে আসতে হত কোন গর্ভবতী নেকড়ের মূত্রত্যাগের স্থান থেকে!

লাইসল:
খুব বেশি দূর যেতে হবেনা। ১৯০০ এর প্রথম’দিকের কথা। তখনো জন্মনিয়ন্ত্রণ বৈধ হয়নি আ’মেরিকায়। লাইসল নামের একটি পণ্য বের করা হয় বাজারে।যেটা কিনা নারী দেহের ভেতরে গিয়ে খানিকটা অংশ জ্বালিয়ে দেবে আর ‘নিরাপদ’ভাবে নিশ্চিত করবে জন্মনিয়ন্ত্রণ! তবে যতটা নিরাপদই বলা হোক না কেন, এটা ব্যবহার করতে গিয়ে আ’হত তো হনই, নি’হতও হন প্রায় ৫ জন!

জলপাই তেল:
প্রাচীন গ্রীসে জলপাই তেল আর সিডারের তেল একসাথে মিশিয়ে ব্যবহার করত পুরুষেরা। কারণ, মনে করা হত এটি তাদের শুক্রাণুকে অনেক বেশি দূর্বল করে দেয়। ফলে সেটা নারীকে গর্ভবতী হওয়া থেকে বিরত রাখে। নিজের লেখাতেও এই মিশ্রণের কথা জানিয়েছেন এ্যারিষ্টটল।

মধু:
প্রাচীন মিশরে নারীর গর্ভধারন এড়াতে ব্যবহার করা হত মধু। তবে পুরুষ নয়, নারীরা ব্যবহার করত এটা। মনে করা হত মধুর প্রলেপ থাকলে পুরুষের শুক্রাণু নারীর ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না।

ফলে জন্ম হবেনা কোন সন্তানেরও! বর্তমানে অবশ্য মধুর পরিবর্তে হানি ক্যাপ ব্যবহার করে অনেকে।