স’হবাসের সময় মে’য়েদের কয়বার বী’র্যপাত হওয়া দরকার, ছে’লেদের জানা উচিত

হ’স্তমৈ’থু‌ন বা স’ঙ্গমের শেষে বী’র্যপাত ঘটার পর প্র’স্রাব করতে গেলে অসু’বিধা হচ্ছে,প্র’স্রাব হতে চাইছে না, অথবা পু’রুষা’ঙ্গে জ্বা’লা অনুভূত হচ্ছে।তাঁদের মনে প্রশ্ন জেগেছে, বিষয়টা কি স্বাভাবিক? ডাক্তারেরা জানাচ্ছেন, বী’র্যপাত হওয়ার পরে প্র’স্রাবে অ’সুবিধা অনুভব করা অত্যন্ত স্বাভাবিক।

আসলে যৌ’ন উ’ত্তেজনার সময়ে পু’রুষ শরীরের প্র’স্টেট গ্রন্থিটি স্ফী’ত হয়ে ওঠে।এই প্র’স্টেটের অবস্থান অ’ণ্ডকোষ ও পা’য়ুর মাঝামাঝি অংশে। বী’র্যকে ঠিক পথে চালিত করা এই গ্রন্থির কাজ। বী’র্যপাতের পূর্বে এই অংশে যে সং’কোচন-প্র’সারণ ঘটে তার ফলেই প্র’স্টেটটি ফুলে যায়।

এই স্ফীতির ফলে প্র’স্রাব মূ’ত্রথলি থেকে বাধাহীন ভাবে নি’র্গত হতে পারে না। সেই কারণে অ’সুবিধা ঘটে প্র’স্রাবে।অনেক পু’রুষই লক্ষ করেছেন, হ’স্তমৈ’থু‌ন বা সঙ্গমের শেষে বী’র্যপা’ত ঘটার পর প্র’স্রাব করতে গেলে অসুবিধা হচ্ছে, প্র’স্রাব হতে চাইছে না, অথবা পু’রুষা’ঙ্গে জ্বা’লা অনুভূত হচ্ছে।

তাঁদের মনে প্রশ্ন জেগেছে, বিষয়টা কি স্বাভাবিক?ডাক্তারেরা জানাচ্ছেন,বী’র্যপা’ত হওয়ার পরে প্র’স্রাবে অসু’বিধা অনুভব করা অত্যন্ত স্বাভাবিক। আসলে যৌ’ন উ’ত্তেজনার সময়ে পু’রুষ শরীরের প্র’স্টেট গ্রন্থিটি স্ফী’ত হয়ে ওঠে। এই প্রস্টেটের অবস্থান অ’ণ্ডকো’ষ ও পা’য়ুর মাঝামাঝি অংশে। বী’র্যকে ঠিক পথে চালিত করা এই গ্রন্থির কাজ।

বী’র্যপা’তের পূর্বে এই অংশে যে সং’কোচন-প্র’সারণ ঘটে তার ফলেই প্র’স্টেটটি ফুলেযায়। এই স্ফী’তির ফলে প্র’স্রাব মূ’ত্রথলি থেকে বাধাহীন ভাবে নি’র্গত হতে পারে না। সে কারণে অসু’বিধা ঘটে প্রস্রাবে।আসলে যৌ’ন উ’ত্তেজনার সময়ে পু’রুষ শরীরের প্র’স্টেট গ্রন্থিটি স্ফী’ত হয়ে ওঠে।এই প্র’স্টেটের অবস্থান অ’ণ্ডকোষ ও পা’য়ুর মাঝামাঝি অংশে।

৩০ বছর বয়স থেকেই মেয়েদের এই ইচ্ছা’গুলো হয়, যা অনেকেরি অজানা, জানতে হলে পড়ুন:
না’রী পুরু’ষ নিয়ে এই জগত সংসার। এই সমাজ সংসারে না’রী ও পুরু’ষ উভ’য় উভ’য়ের উপর নির্ভরশীল। একজন আর একজনের সাহায্য ছাড়া অচ’ল।ভগবান মানুষকে দুটি রুপ দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছে। একটি হল পুরু’ষ আরেকটি হল ম’হিলা।ভগবানের তৈরি করা দুটি চেহারা সবার থেকে সুন্দর হয়ে থাকে।

ম’হিলাদের গুনে সমাজ ও সংসার ভরে ওঠে সমৃদ্ধিতে। সবাই বলে মে’য়েদের মন কে বোঝা দুনিয়ার সব থেকে ক’ঠিন কাজ। তাদের উদাসীনতায় একটি সংসার ভে’ঙে যেতে পারে।বয়স বৃ’দ্ধির সাথে সাথে মেয়েদের স্বভাব চরিত্রের নানা পরিবর্তন হয়। সেহেতু ১৮ থেকে ২০ বছরের মে’য়েরা একটি লাজুক হয়ে থাকে।

আর একটি সমীক্ষায় জা’না গেছে ২০ বছর একটি মে’য়ের সব থেকে গু’রুত্ব পূর্ণ ব’য়স।একটি মে’য়ের ২০ থেকে ৩০ বছর ব’য়স বেশী গু’রুত্ব পূর্ণ। ২০বছর বয়স পার হওয়ার স’ঙ্গে স’ঙ্গে ম’হিলাদের বোধ শ’ক্তি বৃ’দ্ধি পায়। আগামী ৩০ বছর পর্যন্ত তাদের এই বুদ্ধির বিকাশ ঘটতে থাকে।

এই ব’য়সে সবার খেয়াল রাখতে তারা ভালো পারে। আর এটা জে’নে নিন মে’য়েদের ৩০ বছর ব’য়স একটি গু’রুত্ব পূর্ণ ব’য়স।৩০ বছর বয়সে ম’হিলাদের স্বভাব চরিত্রের যে পরিচয় পাওয়া যায় তা অনেকটা চ’মকপ্রদ। কিন্তু এটাই সত্যি। আর এর পেছনে অনেক অ’বাক করা কারন আছে। সেই কারন গুলো নিম্নে আলোচনা করা হল…

১) আ’সলে ৩০ বছর ব’য়সে মে’য়েদের মধ্যে তাদের শৈশবের স্মৃ’তি ফুটে ওঠে। আর ৩০ বছর বয়সের আগে মেয়ে দের সঠিক সিদ্ধা’ন্ত নেওয়ার ক্ষ’মতা ঠিক ঠাক থাকেনা। কিন্তু এই ৩০ বছর পর তারা সব কিছু ভেবে চিন্তে সিদ্ধা’ন্ত নিতে পারে। আর এই ব’য়সে তারা সব কিছু সামলে নিতে পারে কোন জিনিসের তাদের আর অসুবিধা হয় না।

২) এই ব’য়সী মেয়েরা খুব আত্মবিশ্বা’সে ভরপুর হন। আর এই ব’য়সে তারা অনেক ছোটো ছোটো জিনিস নিয়ে ঝগড়া ক’রতে অপছন্দ করে। আর এই ব’য়স তারা তাদের ভু’ল গুলই বুঝে সেগু’লিকে ঠিক করার কথা ভাবে।

আ’সলে ৩০ নীচে তারা নিজে’র সব ভু’ল লুকিয়ে থাকে, এড়িয়ে চলে।৩) কিন্তু ৩০ বছর ব’য়স হলেই তাদের সব কিছু বদলে যায়। আর তাদের পোশাক পরিচ্ছেদ আসে অনেক মাধুর্যতা। যা তারা আগে যেটা বজায় রাখতেন না।